গ্লিসারিন সাপোজিটরি ব্যবহারের নিয়ম।

গ্লিসারিনের নানা ধরনের ব্যবহার রয়েছে। কোষ্ঠকাঠিন্য কমাতে গ্লিসারিন ব্যবহার করা হয় অর্থাৎ এটি ল্যাক্সেটিভ হিসেবে কাজ করে। গ্লিসারিন মূলত একটি পিচ্ছিল পদার্থ। গ্লিসারিন সাপোজিটরি ব্যবহারে মলত্যাগ সহজ হয়। তবে গ্লিসারিন সাপোজিটরি ব্যবহারের কিছু নিয়ম কানুন রয়েছে। এই পোস্টে এই বিষয়ে বিস্তারিত জানানো হয়েছে।

গ্লিসারিন সাপোজিটরি ব্যবহারের নিয়ম।

গ্লিসারিন সাপোজিটরি পায়ুপথে ব্যবহারের জন্য একধরনের ওষুধ। কোষ্ঠকাঠিন্যের কারণে মলত্যাগ করতে বেশ অসুবিধা হয়। মলদ্বারে গ্লিসারিন সাপোজিটরি ব্যবহার করলে এই সমস্যা দূর হয়। কেনা এটি মলদ্বার পিচ্ছিল করে।

গ্লিসারিন সাপোজিটরি ব্যবহারের নিয়ম

কোন ঝামেলা ছাড়াই খুব সহজে এটি ব্যবহার করা যায়। যখন কোষ্ঠকাঠিন্যের কারণে মলত্যাগ করতে অসুবিধা বোধ হবে তখনই কেবল গ্লিসারিন সাপোজিটরি ব্যবহার করবেন। ডাক্তারের পরামর্শ ব্যতীত শিশুদের ক্ষেত্রে এটি ব্যবহার করা উচিত হবে না। এই বিষয়টি অনেকেই অবহেলা করে। আপনার শিশুর গ্লিসারিন সাপোজিটরি ব্যবহার করা প্রয়োজন মনে হলে একজন ডাক্তারের পরামর্শ নেয়া উচিত।

আরও পড়ুন ২০২৪ সালে রোজা কত তারিখে শুরু হবে, রোজার সময়সূচি।

গ্লিসারিন সাপোজিটরি ব্যবহারের আগে ও পরে সাবান দিয়ে ভালোভাবে হাত ধুয়ে নিবেন। এটি পায়ুপথে ব্যবহার করতে হবে। প্রয়োজন বোধে পায়ুপথের একটু ভেতরের দিক সাপোজিটরি প্রবেশ করাতে হবে। তবে কোষ্ঠকাঠিন্যের সবচেয়ে ভালো সমাধান হলো পর্যাপ্ত পরিমাণে পানি পান করা, বেশি বেশি ফাইবার সমৃদ্ধ খাবার খাবার খাওয়া। সাপোজিটরি ব্যবহার করতে চাইলে ডাক্তারের পরামর্শ অনুযায়ী ব্যবহার করুন।

গ্লিসারিন সাপোজিটরি কখন ব্যবহার করবেন?

সামান্য কোষ্ঠকাঠিন্য হলে গ্লিসারিন সাপোজিটরি ব্যবহার উচিত হবে না। অনেকে সামান্য কোষ্ঠকাঠিন্য দেখা দিলে সাপোজিটরি ব্যবহার করে থাকে। আসলে সাপোজিটরি সাময়িকভাবে মলত্যাগ সহজ সহজ করে ঠিকই কিন্তু স্থায়ীভাবে কোষ্ঠকাঠিন্য থেকে মুক্তি দিতে পারে না। তাছাড়া গ্লিসারিন সাপোজিটরি ব্যবহারে আপনি তার উপর নির্ভর হয়ে পড়বেন।

বিকল্প বেশ কিছু উপায়ে এই সমস্যা দূর করা যায়। পর্যাপ্ত পরিমাণে ফাইবার যুক্ত খাবার খাওয়া, পরিমাণ মতো পানি পান করা, নিয়মিত ব্যায়াম, দুশ্চিন্তামুক্ত থাকা ইত্যাদি। তবে প্রয়োজনে গ্লিসারিন সাপোজিটরি ব্যবহার করা যাবে এতে কোন সমস্যা নেই।

শিশুদের গ্লিসারিন সাপোজিটরি ব্যবহারের নিয়ম

দুই বছরের নিচে শিশুদের ক্ষেত্রে বিশেষ সতর্কতা অবলম্বন করে এই সাপোজিটরি ব্যবহার করতে হবে। প্রয়োজনে একটি সাপোজিটরি অথবা ডাক্তারের নির্দেশ মোতাবেক ব্যবহার করুন। শিশুদের ক্ষেত্রে চাইল্ড গ্লিসারিন সাপোজিটরি এবং বয়স্কদের এডাল্ট সাপোজিটরি ব্যবহার করতে হবে।

শেষ কথা
এই পোস্টটি পড়ার জন্য ধন্যবাদ। এই পোস্টটিতে গ্লিসারিন সাপোজিটরি বিষয়ে জানানো হয়েছে। এটি কেন ও কখন ব্যবহার করবেন, ব্যবহারের নিয়ম ইত্যাদি।

Related Posts

Leave a Reply

Your email address will not be published. Required fields are marked *